বাংলাদেশে ভাড়া হিসাব করার সম্পূর্ণ গাইড

সঠিকভাবে ভাড়া হিসাব রাখা বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটে উভয়ের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল হিসাব থেকে অনেক সময় বড় ধরনের বিরোধ তৈরি হয়। এই গাইডে সহজভাবে ভাড়া হিসাব করার নিয়ম ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

মাসিক ভাড়া হিসাব

প্রথমেই নির্ধারণ করতে হবে মাসিক নির্দিষ্ট ভাড়ার পরিমাণ। চুক্তিতে যে ভাড়ার কথা উল্লেখ থাকবে, সেটিই মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হবে।

বকেয়া ভাড়া কীভাবে হিসাব করবেন?

যদি কোনো মাসে ভাড়া সম্পূর্ণ পরিশোধ না হয়, তাহলে সেটি বকেয়া হিসেবে গণ্য হবে। পরবর্তী মাসের ভাড়ার সঙ্গে বকেয়ার পরিমাণ আলাদাভাবে উল্লেখ করা উচিত।

গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি বিল

বাংলাদেশে সাধারণত এই বিলগুলো আলাদাভাবে হিসাব করা হয়। মিটার রিডিং বা নির্ধারিত চার্জ অনুযায়ী বিল গণনা করে ভাড়াটেকে জানানো উচিত।

নিরাপত্তা জামানত

নিরাপত্তা জামানত সাধারণত এক বা দুই মাসের ভাড়ার সমপরিমাণ হয়। চুক্তি শেষ হলে এবং কোনো বকেয়া না থাকলে এই অর্থ ফেরত দেওয়া বাড়িওয়ালার দায়িত্ব।

ডিজিটালভাবে হিসাব রাখার সুবিধা

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাড়া হিসাব রাখলে:

ভবিষ্যৎ বিরোধ এড়ানোর উপায়

সব লেনদেন লিখিত বা ডিজিটাল রেকর্ডে রাখা এবং নিয়মিত আপডেট করলে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

আরও পড়ুন: ভাড়া আইন | বাড়িওয়ালার দায়িত্ব